চাঁদ নিয়ে একি রহস্য ফাঁস করলেন বিঙ্গানীরা | যা এতদিন অগোচরে ছিল | Olympusbd.com

shohidulen 13 December 2018

চাঁদ পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ। তাই এই চাঁদ নিয়ে যেমন করে সোনার শেষ নেই তেমন মানুষের জানার আগ্রহেরও শেষ নেই ।

আমরা আজ আপনাদেরকে জানাব ওই চাঁদ সম্পর্কে অজানা এবং মজার কিছু তথ্য যা হয়তো বা আপনি আগে কখনো জানেন নি বা শোনেননি।

নাম্বার 1: চাঁদ সম্পূর্ণ গোলাকার নায়: আমরা সকলে জানি চাঁদ গোলাকার। যেহেতু সেটা দেখতে গোলাকার দেখায়। তবে আসলে চাঁদের আকৃতি ডিমের মতো। আমরা যখন চাঁদের দিকে তাকাই তখন তাদের যেকোনো একটি পাশ থেকে দেখতে পাই। সেজন্য এটিকে গোলাকার দেখায়। তাছাড়া চাঁদের ভরকেন্দ্র অর্থাৎ চাঁদের জন্য ঘরের যে কেন্দ্র বিন্দু সেটি জ্যামিতিক কেন্দ্রে অবস্থিত নয়। জ্যামিতিক কেন্দ্র থেকে বের হয়ে 1. 5 কিলোমিটার দূরে অবস্থিত।

নাম্বার 2: আমরা কখনো চাঁদকে সম্পূর্ণ দেখতে পাই না: আমরা যখন চাঁদের দিকে তাকাই তখন আমরা সম্পূর্ন চাঁদকে দেখি না। তাদের মাত্র 59 শতাংশ আমরা দেখি আর বাকি 41% কখনোই দেখা যায় না। আপনি যদি এই তথ্য বিশ্বাস না করেন তবে বাকি 41% অংশে যদি আপনি দাঁড়ান বা থাকেন তাহলে আপনি পৃথিবী দেখতে পাবেন না।

নাম্বার 3: ব্লু মুন: এর আসল কারণ 1983 সালে আমরা ব্লু মুন দেখেছিলাম অর্থাৎ নীল রংয়ের চাঁদ দেখেছিলাম। তবে এর আসল কারণ চলো চাঁদে আগ্নেয়গিরির অগ্নুৎপাত চাঁদের ক্রাকাতোয়া আগ্নেয়গিরি থেকে অগ্নুৎপাত হয়েছিল ফলে সেই অগ্নি পুরো চাঁদ ঢেকে গিয়েছিল বা চাঁদের বায়ুমণ্ডল হয়ে গিয়েছিল এই কারণে আমরা তখন চাঁদকে নীল দেখেছিলাম আর তখন থেকেই ব্লু মুন কথাটির উৎপত্তি হয়েছে।

নাম্বার 4: চাঁদকে বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার চিন্তাভাবনা: আমরা জানি রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র বিপরীতমুখী অবস্থান করে। তাদেরই পরস্পর বিরোধী সামরিক শক্তি প্রদর্শন করা যেন তবে জন্মলগ্ন থেকে অভ্যাস। আর সে সামরিক শক্তি প্রদর্শনের স্থান থেকেই যুক্তরাষ্ট্র-রাশিয়া কে ভয় দেখাত। আর সেজন্যই তারা চাঁদে পারমাণবিক বোমা হামলার পরিকল্পনা করেছিল তার ও রাশিয়াকে দেখিয়ে দিতে চেয়েছিলো যে তাদের সামরিক শক্তি কতটা। শক্তিশালী গোপনে পরিকল্পনা নাম ছিল স্টাডি অফ ফ্লাইটস আরে প্রজেক্ট এর নাম দেয়া হয়েছিল a119।

নাম্বার ৫: ড্রাগন এর কারণে চন্দ্রগ্রহণ: চন্দ্রগ্রহণ এর আসল কারণ আমরা সবাই জানি। আর তা হলো সূর্য এবং পৃথিবীর মাঝে চাঁদ এসে পড়লে সে চাঁদ পৃথিবীকে একটি ছায়ার সৃষ্টি করে যার ফলে আমরা অনেকক্ষণ যাবৎ অন্ধ করে দেখে থাকি। তবে চীনাদের মধ্যে একটি কুসংস্কার আছে যে একটি ড্রাগন যখন সূর্যকে গিলে ফেলে তখন সূর্য গ্রহণ হয়। তাই চীনারা সেই সময় যতটা সম্ভব আওয়াজ করতে থাকে বা চিল্লাতে থাকে যাতে ড্রাগন টি ভয়ে চলে যায়। তবে এটি নিছক কুসংস্কার ছাড়া আর কিছুই নয়।

খবরটি পঠিত হয়েছে 398 বার