আমুন রা এর ভয়ংকর অভিশাপ

shohidulen 14 January 2019

প্রিন্সেস আমুন রা কে নিয়ে আছে অদ্ভুত আর ভয়ংকর কিছু ঘটনা। সেসব ঘটনার সত্যতার প্রমানও পাওয়া গেছে অনেক। আমুনরা কে নিয়ে লেখা হয়েছে প্রচুর গল্প, উপন্যাস আর তৈরি করা হয়েছে বেশ কিছু চলচিত্র। আমুন রা এর সেসব বিস্ময়কর ঘটনাই তুলে ধরব আজকের ভিডিওতে।

খ্রীস্টের জন্মের ১৫০০ বছর আগে প্রিন্সেস আমুন রা জন্মগ্রহণ করে।মৃত্যুর পর তারদেহকে মমি করেসুসজ্জিত এক কফিনে রাখা হয়।মমিটি সমাহিত করা হয় নীল নদের তীরে এক গভীর সূড়ঙ্গে।

১৮৯০ সালে চারজন ইংরেজ ধনকুবের মমিটির সন্ধান পেয়ে সেটা কিনে নেয়। মমিটি হোটেল রুমে নিয়ে আসার পরই শুরু হয় রহস্যময় সব ঘটনা। কারণ ছাড়াইতাদের একজন মরুভূমির দিকে চলে যায়। সে আর কখনই ফিরে আসে নি। প্রচুর অনুসন্ধান করার পরও তার কোন হদিসই পরবর্তীতে পাওয়া যায়নি।

পরদিন দ্বিতীয় জনের হাতে দূর্ঘটনা বশত গুলি লাগে। তার হাত পচে যায় এবং সেটা কেটে ফেলতে হয়। তৃতীয় ব্যক্তি অল্পদিনের ভেতরেই ব্যবসা বাণিজ্যে ধরা খেয়ে দেউলিয়া হয়ে যায়।

চতুর্থ জন ভয়ানক অসুস্থ হয়ে পরে। তার চাকরি চলে যায়। একসময় রাস্তায় ম্যাচ বিক্রি করে তাকে খাবার যোগাতে হয়।

সেখান থেকে মমিটি লন্ডনের এক ব্যবসায়ী কিনে নেন।  এরপরই তার পরিবার এক মারাত্মক সড়ক দূর্ঘটনায় পরে। তার বাড়িতে আগুনে লেগে যায়। ভয় পেয়ে তিনি মমিটি এক যাদুঘরে পাঠিয়ে দেন।

যে ট্রাকে মমিটি যাদুঘরে আনা হয় সেটা হঠাত করেপেছন দিকে চলা শুরু করেআর একজন পথচারিকে চাপা দিয়ে মেরে ফেলে।মমিটি তুলতে গিয়ে একজনের পা ভেঙ্গে যায়,অন্যজনের রহস্যজনক মৃত্যু হয়।

মমিটি যাদুঘরে রাখার পর থেকেই অদ্ভুত সব ঘটনা ঘটতে শুরু করে। ভয়ংকর নানান শব্দ হতে থাক যাদুঘরটিতে। মনে হয় কেউযেন কফিনের ভেতর থেকে পাগলের মত বারি দিচ্ছে। বিচিত্র কান্নার আওয়াজ আসতে থাকে কফিন থেকে।

যাদুঘরের পাহারাদারদের একজন অজানা কারণে মারা যায়, অন্যজনের চাকরি চলে যায়।

একজন দর্শনার্থী মজা করে একটি ময়লা রুমাল ফেলে মমিটির মুখে। লোকটি রক্ত বমি করতে করতে মারা যায়।

উপায় না পেয়ে মমিটি মাটির নিচে খালি একটা গ্যারেজে রাখা হয়। পরদিনই একজনকে গ্যারেজের মেঝেতে মরে পরে থাকতে দেখা যায়। এক সাংবাদিক মমিটির ছবি তোলার পর থেকেই অদ্ভুত আচরণ শুরু করে। বাসায় ফিরে নিজের ঘরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দেয়সে। পরে তাকে মাথায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। আর আশ্চর্যের বিষয় এই যে তার ঘরটি ভেতর থেকে তালাবদ্ধ অবস্থায় ছিলো।

Helena নামের এক শক্তিশালী তান্ত্রিক মমিটির অভিশাপ দূর করতে আসে। কিন্তু মমিটির কাছে আসতেই সে ভয় পেয়ে যায় এবং সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যান। তাকে আর কোনভাবেই সেখানে ফিরিয়ে আনা যায়নি।

এরপর মমিটির আশে পাশে নানা দূর্ঘটনা ঘটতেই থাকে। সবশেষে মমিটি পৌছায় টাইটানিক জাহাজে। আর টাইটানিক জাহাজের পরিণতি তো আমরা সবাই জানি। তারপর থেকে মমিটির আর কোনো খোজ পাওয়া যায়নি।

খবরটি পঠিত হয়েছে 670 বার